আইপিএলের নতুন মৌসুমের উদ্বোধনী ম্যাচেই রানের বন্যায় ভাসল ক্রিকেটপ্রেমীরা। জমজমাট এই লড়াইয়ে শেষ পর্যন্ত দাপুটে জয় তুলে নিয়েছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু।
রোববার এম চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে টসে হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই চাপে পড়ে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। আইপিএলে অভিষেক ম্যাচেই দারুণ বোলিং করেন নিউজিল্যান্ডের জ্যাকব ডাফি। তিনি ২২ রানে ৩টি উইকেট নিয়ে দ্রুত ফিরিয়ে দেন অভিষেক শর্মা, ট্র্যাভিস হেড ও নিতিশ কুমার রেড্ডিকে।
এরপর তিন নম্বরে নেমে ঝড় তোলেন অধিনায়ক ইশান কিষান। অভিষেক ম্যাচেই তিনি ৩৮ বলে ৮০ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন, যেখানে ছিল ৫টি ছক্কা ও ৮টি চার। মিডল অর্ডারে হাইনরিখ ক্লাসেন ২২ বলে ৩১ রান করেন, আর শেষদিকে অনিকেত বর্মা ১৮ বলে ৪৩ রানের ঝড়ো ক্যামিও খেলেন। তবে এই তিনজন ছাড়া দলের আর কেউ দুই অঙ্কে পৌঁছাতে পারেননি। নির্ধারিত ২০ ওভারে হায়দরাবাদের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২০১ রান।
বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ফিল সল্ট-এর উইকেট হারায় বেঙ্গালুরু। তবে দেবদত্ত পাডিক্কাল ও বিরাট কোহলির দারুণ জুটিতে ম্যাচে ফিরে আসে দলটি। পাডিক্কাল ২৬ বলে ৬১ রান করে আউট হলেও আক্রমণাত্মক ব্যাটিং চালিয়ে যান কোহলি।
এরপর রজত পাতিদার ১২ বলে ৩১ রানের ঝড় তুলে বিদায় নিলেও শেষদিকে টিম ডেভিডকে সঙ্গে নিয়ে সহজেই দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন কোহলি। বিশেষ করে ১৬তম ওভারের প্রথম চার বলেই এক ছক্কা ও টানা তিনটি চার মেরে ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে দেন তিনি।
শেষ পর্যন্ত ২৬ বল ও ৬ উইকেট হাতে রেখেই লক্ষ্য অতিক্রম করে বেঙ্গালুরু। অপরাজিত ৬৯ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন কোহলি, যেখানে ছিল ৫টি ছক্কা ও ৫টি চার।
রোববার এম চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে টসে হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই চাপে পড়ে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। আইপিএলে অভিষেক ম্যাচেই দারুণ বোলিং করেন নিউজিল্যান্ডের জ্যাকব ডাফি। তিনি ২২ রানে ৩টি উইকেট নিয়ে দ্রুত ফিরিয়ে দেন অভিষেক শর্মা, ট্র্যাভিস হেড ও নিতিশ কুমার রেড্ডিকে।
এরপর তিন নম্বরে নেমে ঝড় তোলেন অধিনায়ক ইশান কিষান। অভিষেক ম্যাচেই তিনি ৩৮ বলে ৮০ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন, যেখানে ছিল ৫টি ছক্কা ও ৮টি চার। মিডল অর্ডারে হাইনরিখ ক্লাসেন ২২ বলে ৩১ রান করেন, আর শেষদিকে অনিকেত বর্মা ১৮ বলে ৪৩ রানের ঝড়ো ক্যামিও খেলেন। তবে এই তিনজন ছাড়া দলের আর কেউ দুই অঙ্কে পৌঁছাতে পারেননি। নির্ধারিত ২০ ওভারে হায়দরাবাদের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২০১ রান।
বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ফিল সল্ট-এর উইকেট হারায় বেঙ্গালুরু। তবে দেবদত্ত পাডিক্কাল ও বিরাট কোহলির দারুণ জুটিতে ম্যাচে ফিরে আসে দলটি। পাডিক্কাল ২৬ বলে ৬১ রান করে আউট হলেও আক্রমণাত্মক ব্যাটিং চালিয়ে যান কোহলি।
এরপর রজত পাতিদার ১২ বলে ৩১ রানের ঝড় তুলে বিদায় নিলেও শেষদিকে টিম ডেভিডকে সঙ্গে নিয়ে সহজেই দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন কোহলি। বিশেষ করে ১৬তম ওভারের প্রথম চার বলেই এক ছক্কা ও টানা তিনটি চার মেরে ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে দেন তিনি।
শেষ পর্যন্ত ২৬ বল ও ৬ উইকেট হাতে রেখেই লক্ষ্য অতিক্রম করে বেঙ্গালুরু। অপরাজিত ৬৯ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন কোহলি, যেখানে ছিল ৫টি ছক্কা ও ৫টি চার।
ক্রীড়া ডেস্ক